11 October, 2021

-: GPF বা সাধারণ ভবিষ্য তহবিলের ব্যালেন্স অনলাইনে জানার প্রক্রিয়া :-

 সরকারি কর্মচারীদের জিপিএফ এর ব্যালেন্স জানার জন্য হিসাবরক্ষণ অফিসে যোগাযোগ করে জিপিএফ স্লিপ সংগ্রহ করতে হয়। এখন থেকে আর যোগাযোগ করতে হবেনা। অনলাইনে ঘরে বসেই হিসাব পাওয়া যাবে।


২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে সেল্ফ ড্রয়িং অফিসারগণ তাঁদের নিজ নিজ আইবাস++ সফটওয়্যারের আইডি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগ ইন করে রিপোর্ট থেকে জিপিএফ স্লিপ প্রিন্ট নিতে পারছেন। তবে যারা ২০২০-২১ অর্থবছর হতে ইএফটি-র আওতায় এসেছেন তাদের ক্ষেত্রে কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর অনলাইনে দেখা যাবে।

 

অফিসার/কর্মকর্তাগণের জিপিএফ এর তথ্য দেখার জন্য :-

১. নিজ নিজ আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করতে হবে

২. Accounting এ প্রবেশ করতে হবে

৩. রিপোর্ট এ যেতে হবে

৪. রিপোর্ট থেকে My GPF Certifiate, My GPF accounts slip এবং My GPF sub-ledger থেকে নিজ নিজ তথ্য বের করা যাবে, প্রিন্ট নেয়া যাবে, সেভ করা যাবে।

published: https://basharulurc.blogspot.com

 স্টাফ/কর্মচারীগণের জিপিএফ এর তথ্য দেখার জন্য :-

স্টাফ/কর্মচারীগণের বেতন যেহেতু ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ইএফটি-র মাধ্যমে প্রদান করা শুরু হয়েছে তাঁদের জিপিএফ এর হিসাবও এখন থেকে অনলাইনে সংগ্রহ করা যাবে।

এর জন্য আপনাকে যা  যা করতে হবে:

১.আপনাকে যে কোন ব্রাউজার দিয়ে https://www.cafopfm.gov.bd এই ওয়েব সাইটে প্রবেশ করতে হবে


২. উপরের ডায়লগ বক্স হতে GPF information অংশের Click Here বাটনটিতে ক্লিক করতে হবে

 GPF information অংশের Click Here বাটনটিতে ক্লিক করলে নিচের ডায়লগ বক্সের ন্যায় এমন একটি ডায়লগ বক্স আসবে


৩. এবার আপনার এনআইডি নাম্বার, মোবাইল নাম্বার এন্ট্রি করতে হবে (মোবাইল নম্বর যেটি EFT তে দিয়েছিলেন সেই নাম্বার)
 

৪. যে অর্থবছরের হিসাব চান সেই অর্থবছর সিলেক্ট করে. Submit বাটনে ক্লিক করুন


 Submit বাটনটিতে ক্লিক করলে এমন একটি ডায়লগ বক্স আসবে এবং


৬. আপনার মোবাইলে একটি ৪ ডিজিটের ওটিপি যাবে সেই ওটিপি নাম্বারটি Please enter 04-Digit OTP এখানে লিখে  Submit বাটনটিতে ক্লিক করুন
৭. আপনার জিপিএফ হিসাবটি এমনভাবে প্রদর্শিত হবে


৭। প্রিন্ট করতে চাইলে উপরের ডান পাশের প্রিন্ট বাটনে ক্লিক করুন

৮। সেভ করে রাখতে চাইলে প্রিন্টার হিসেবে যেকোনো পিডিএফ প্রিন্টার সিলেক্ট করে প্রিন্ট কমান্ড দিন

৯। এবার ফাইল নেম দিয়ে সেভ করুন।

ব্যাস আপনার জিপিএফ হিসাব আপনার হাতে

এবার কথা হলো এখনই কি সবাই হালনাগাদ হিসাব পাবেন?

না, সবাই পাবেন না। যতক্ষণ পর্যন্ত হিসাবরক্ষণ অফিস কর্তৃক প্রত্যয়ণসহ পূর্বের অর্থবছরের সমাপনী জের যার যার এনআইডি নাম্বারের বিপরীতে এন্ট্রি এবং অনুমোদন না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত হালনাগাদ হিসাব পাওয়া যাবেনা।

আশা করা যায় জুলাই ২০২১ মাসের মধ্যে সবার হিসাব হালনাগাদ হয়ে যাবে। এই কাজটি করার জন্য বেশ কয়েকটি ধাপ সম্পন্ন হয়।
১. প্রথমে জিপিএফ ভলিউমে হিসাবটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে হয়। ২. এবার একটি প্রত্যয়ণ লিখতে হয় নাম, জিপিএফ হিসাব নম্বর, এনআইডি নাম্বারসহ, ৩. প্রত্যয়ণপত্রটি স্ক্যান করতে হয়। ৪. অডিটরের আইডি থেকে নির্দিষ্ট ব্যক্তির এনআইডি নাম্বার দিয়ে সার্চ করে বের হিসাব জিপিএফ হিসাবটি বের করতে হয়।  ৫. স্ক্যান কপিটি আপলোড করতে হয়। ৬.  টাকার অংকটি সঠিকভাবে এন্ট্রি করতে হয়। ৭. হিসাবরক্ষণ অফিসারের আইডি থেকে প্রত্যেকের স্ক্যান করা কপি এবং এন্ট্রিকৃত টাকার অংক যাচাই করে এপ্রোভ করতে হয়। ৮. কাজ কিন্তু শেষ হয়নি। ইএফটি যে মাস থেকে শুরু হয়েছে সে মাস থেকে মাসিক কর্তনের হিসাব অটোমেটিক অনলাইনে যুক্ত হয়েছে। তার পূর্বের মাসগুলোর কর্তনের তথ্য জিপিএফ ভলিউম দেখে GPF subscription history তে এন্ট্রি করতে হয়। ৯। যদি জিপিএফ অগ্রীম থাকে তাহলে তো কথাই নেই। আরো দুইখান ধাপ রয়ে গেছে তাদের জন্য। জিপিএফ এর মঞ্জরী এন্ট্রি করতে হয়। তারপর ইএফটি-র পূর্বের মাসগুলোর অগ্রীম কর্তনের তথ্য এন্ট্রি করতে হয়।

এবার আপনার হিসাবটি হালনাগাদ হয়ে গেল।

একবার এপ্রোভ হয়ে গেলে উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে সংশোধনের  সুযোগ থাকেনা। তাই বেশ সতর্কতার সাথে কাজটি সম্পাদন করতে হয়

আরও একটি তথ্য হলো, ম্যানুয়াল হিসাব নম্বরটি আর থাকছে না। সবারই একটি ডিজিটাল জিপিএফ নাম্বার তৈরি হয়ে গেছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে।

03 October, 2021

জ্বর হলেই ওষুধ খেতে হবে এমন নয়

 

চারদিকে অনেকেই জ্বরে আক্রান্ত। কারও ফ্লু, কারও ডেঙ্গু, কারও আবার চিকুনগুনিয়া। এমনিতে জ্বর কিন্তু খারাপ নয়। শরীরের যেকোনো সংক্রমণ বা প্রদাহের বিপরীতে প্রথম প্রতিরোধব্যবস্থা হলো জ্বর।

শরীরের তাপমাত্রা ৯৯ ডিগ্রি ফারেনহাইটের ওপর গেলে জ্বর হয়েছে বলে ধরা যায়। জ্বর হলেই যে ডাক্তারের কাছে ছুটতে হবে বা ওষুধ খেয়ে জ্বর নামাতে হবে, ব্যাপারটি তা নয়। বেশির ভাগ জ্বরই ভাইরাসজনিত। এতে কোনো ওষুধ লাগে না। এমনিতেই পাঁচ থেকে সাত দিন পর সেরে যায়।

জ্বর নামাতে শরীরের নিজস্ব কৌশল আছে। কাঁপুনি ও শীত শীত অনুভূতির মাধ্যমে জ্বর আসে। এরপর ঘাম দিয়ে ছেড়ে যায়। এ সময় শরীর বাড়তি তাপমাত্রা হারায়।

জ্বরে কাবু হলে বাড়িতে কিছু কৌশলের মাধ্যমে নামানোর চেষ্টা করতে পারেন। এতে কাজ না হলে সাধারণ প্যারাসিটামল-জাতীয় ওষুধ খাওয়া যায়। তবে চিকিৎসককে না জানিয়ে কখনোই দোকান থেকে অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খাবেন না। অ্যাসপিরিন বা আইবুপ্রোফেন-জাতীয় ওষুধও না। তাহলে আসুন জেনে নিই বাড়িতে আমরা কী ব্যবস্থা নিতে পারি।

>    খুব জ্বর এলে হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করে নিতে পারেন। পানির তাপমাত্রা আপনার শরীরের তাপমাত্রার চেয়ে দুই ডিগ্রি কম হবে। বাথটাবে বা ঝরনার ধারায় গোসল করা ভালো। বাড়তি তাপমাত্রা পানিতে চলে যাবে। ১৫ থেকে ২০ মিনিটের বেশি ভিজবেন না। গোসল সেরে দ্রুত শুকনো তোয়ালে দিয়ে পানি মুছে নিন। বিছানায় কাঁথা বা কম্বলের নিচে ঢুকে পড়ুন। দেখবেন একটু পর ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে যাচ্ছে।

>    গোসল সম্ভব না হলে শরীরের ত্বক স্পঞ্জ করতে পারেন। পরিষ্কার সুতির পাতলা কাপড় গামলার পানিতে ভিজিয়ে চিপে নিন। পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকবে (গরম বা বরফ-ঠান্ডা নয়)। এবার এই ভিজে কাপড় দিয়ে সারা শরীর মুছে নিন। ভেজা কাপড় দিয়ে মোছার পর শুকনো কাপড়ের সাহায্যে পানি মুছে নিন। জ্বর না কমা পর্যন্ত এটা করতে থাকুন।

>    জ্বরের মধ্যে হারবাল ও গ্রিন চা বেশ কাজে দেয়। চায়ের মধ্যে এক টুকরো আদা, এলাচি, লবঙ্গ বা খানিকটা মধু মিশিয়ে এই হারবাল চা তৈরি করা যায়। অথবা এক বাটি গরম স্যুপ খেলেও দেখবেন ঘাম হচ্ছে এবং জ্বর নেমে যাচ্ছে। এক কাপ পানিতে দুই চামচ আপেল সিডার ভিনেগার ও এক চামচ মধু মিশিয়ে দিনে দু-তিনবার পান করুন। এটি শরীরের তাপমাত্রা বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে।

>    জ্বর হলে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তাই প্রচুর পানি ও তরলজাতীয় খাবার খেতে হবে। নয়তো জিব শুকিয়ে যাবে। প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাবে বা গাঢ় হয়ে যাবে। তাই জ্বর হলে দিনে দুই থেকে আড়াই লিটার পানি পান করুন।

>    জ্বর হলে শরীরের বিপাকক্রিয়া বাড়ে। তাই বাড়তি ক্যালরির প্রয়োজন হয়। অনেকে জ্বর হলে কিছু খাবেন না বলে ঠিক করেন। এতে নিজেরই ক্ষতি। অল্প হলেও পুষ্টিকর কিছু খেতে হবে। জ্বরের রোগীর পথ্য বলে আসলে কিছু নেই। সবই খাওয়া যায়। তবে তেল-মসলাযুক্ত খাবার হজম করতে কষ্ট হয়। বিপাকে ক্যালরিও বেশি খরচ হয়। তাই সহজপাচ্য খাবারই ভালো। সবজি মেশানো জাউভাত, পরিজ, ওটমিল, স্যুপ ইত্যাদি যথেষ্ট পুষ্টি জোগাবে। ফলের রস বা ফল খেতে চেষ্টা করুন। বিশেষ করে ভিটামিন সি-যুক্ত ফল, যেমন: কমলা, মালটা, লেবু, জাম্বুরা, আনারস ইত্যাদি। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করবে।

জ্বর ১০৫ ডিগ্রির ওপর উঠে গেলে অনেক কাশি, পেটব্যথা, প্রস্রাবে জ্বালা, বেশি বমি হলে, জ্বরের ঘোরে অসংলগ্ন আচরণ করলে বা অচেতনের মতো হলে অবশ্যই দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া জরুরি। এক সপ্তাহের বেশি জ্বর থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

 ** একটি মন্তব্য লিখুন **

জ্বর হলে করণীয় ও বর্জনীয়

     আবহাওয়া পরিবর্তনের রেশ এখন প্রবল। সঙ্গে চলছে মৌসুমী সর্দি-কাশি, জ্বরও। আশপাশের অনেকেই হয়ত এই রোগগুলোতে আক্রান্ত হয়েছেন, যা আপনারও আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে প্রতিনিয়ত। হয়ত এরমধ্যেই আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন এবং বাড়াচ্ছেন অন্যান্যদের সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা।

রোগের তীব্রতা লাগামহীন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে প্রাথমিক দিনগুলোতে ঘরোয়া কিছু করণীয় ও বর্জণীয় বিষয় মেনে চললে ওষুধ ছাড়াই আরোগ্য লাভ সম্ভব হতে পারে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে সংগ্রহ করা তথ্যের আলোকে জানানো হল এই বিষয়গুলো সম্পর্কে।

 

করণীয়ঃ-

প্রচুর তরল পানঃ  মৌসুমি রোগ নিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে প্রথম উপদেশই পাবেন প্রচুর পানি ও অন্যান্য তরল পান করার। এর কারণ হল জ্বরের কারণে তাপমাত্রা বাড়লে শরীর দ্রুত পানিশূন্যতার দিকে যেতে থাকে। তাই পর্যাপ্ত পানির সরবরাহ এখানে অত্যন্ত জরুরি। কুসুম গরম পানি, ফলের শরবত, ডাবের পানি, চা- যে কোনো তরল খাবারেই বাধা নেই। সর্দি-জ্বর থাকলে প্রতিদিনের লক্ষ্য হবে আট থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করা। আর বেশি তরল পান করলে শরীর থেকে জীবাণু ও অন্যান্য বিষাক্ত উপাদান বেরিয়ে যাওয়া সহজ হয়।

বিশ্রামঃ অসুস্থ অবস্থায় যত বেশি সক্রিয় থাকবেন ততই আপনার শরীরের তাপমাত্রা বাড়বে। তাই বিশ্রামে থাকলে তাপমাত্রা কমবে এবং রোগমুক্তি হবে দ্রুত। মৌসুমি সর্দি-কাশি, জ্বর সারাতে ওষুধ সবসময় প্রয়োজন না হলেও জ্বর ১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তারও বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রাখা নিরাপদ। জ্বরের সঙ্গে শরীর ব্যথা, মাথা ব্যথা, ঘাড় শক্ত হয়ে থাকা, বমি ইত্যাদি উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।

গোসলঃ কপাল এবং ঘাড়ের পেছনের অংশে জলপট্টি দেওয়া জ্বর কমাতে অত্যন্ত কার্যকর। পুরোদস্তুর গোসলের পরিবর্তে কুসুম গরম পানিতে ভেজানো কাপড় দিয়ে শরীর মোছাও দ্রুত জ্বর কমাতে সাহায্য করে। চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া জ্বর নিয়ে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করা যাবে না। অন্যথায় শরীরে কাঁপুনি দেখা দিতে পারে এবং জ্বর আরও বেড়ে যেতে পারে।

 

বর্জনীয়

শরীরে ‘অ্যালকোহল’ মালিশঃ জ্বর কমানো প্রাচীন এক পদ্ধতি এটি। যা মোটেই নিরাপদ নয়। এই পদ্ধতি জ্বর সারাতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অকার্যকর। বরং তা ডেকে আনতে পারে ‘অ্যালকোহল’জনীত বিষক্রিয়া।

বরফ গোসলঃ বরফ শীতল পানি বা বরফ ভাসা পানিতে গোসল করা হয়ত শরীরের তাপমাত্রা কমাবে, তবে তা ডেকে আনবে কাঁপুনি। ফলাফল, জ্বর আরও বাড়বে। কক্ষ তাপামাত্রার পানিতে গোসল করাই যেখানে মানা, বরফ শীতল পানিতে গোসলের কথা সেখানে অবান্তর।

দ্বিগুন ওষুধ সেবনঃ দ্রুত জ্বর থেকে মুক্তি পেতে চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ দ্বিগুন পরিমাণে সেবন কিংবা একই সঙ্গে দুই ধরনের ওষুধ সেবন কোনো উপকারে আসবে না। বরং তা হতে পারে জ্বরের থেকেও বিপদজনক। বেশি ওষুধ খেলে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত কমে যাবে না। তবে এমনটা করলে শরীরের বিভিন্ন অভ্যন্তরীন অঙ্গের ক্ষতি হতে পারে, বিশেষত, বৃক্কের। 

শিশুদের ক্ষেত্রে যখন চিকিৎসক জরুরিঃ  শিশুর তিন মাস বয়সের মধ্যে জ্বর হলে তাপামাত্রা ১০০.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট হলেই চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে।  বয়স তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে হলে জ্বর ১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইট পার করে গেলে এবং শিশু ঘুমকাতুরে কিংবা অত্যন্ত কান্নাকাটি করলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।  ছয় থেকে ২৪ মাস বয়সি শিশুর ক্ষেত্রে জ্বর ১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হলে এবং তা একদিনের বেশি স্থায়ী হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। জ্বরের সঙ্গে ডায়রিয়া, বমি এবং ত্বকের ‘র‌্যাশ’ হলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে।

জ্বর কমাতে তিনটি বিষয় করতে হবে আর বাদ দিতে হবে তিনটি কাজ।